বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
শেখ হাসিনার ‘ফটোজেনিক মেধাবী’ জিনিসটি আসলে কী?  » «   সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করতে হবে : শিবির সভাপতি  » «   খালেদার বক্তব্য বিকৃত করে রায় দিয়েছেন আখতারুজ্জামান!  » «   একজন ভাষাসৈনিক গোলাম আজম এবং আমার ভাবনা  » «   আগামী বছর নতুন পদ্ধতিতে এসএসসি  » «   ধনীদের আরো বেশি কর দেয়া উচিত: বিল গেটস  » «   খালেদা ভোটের যোগ্যতা হারালে কিছু করার নেই: কাদের  » «   তারেকের স্ত্রী, কন্যার ব্রিটিশ নাগরিকত্বের আবেদনের খবর  » «   খালেদার জামিন আবেদনের আগেই কপি চান অ্যাটর্নি জেনারেল  » «   ব্যাংকে জালিয়াতির কোনো ঘটনায় ছাড় দেয়া হয়নি: তোফায়েল  » «   বাংলাদেশকে কেউ আর অবহেলার সাহস পায় না: প্রধানমন্ত্রী  » «   বাসের ধাক্কায় ৪ অটোযাত্রী নিহত  » «   ২১ গুণীজনকে একুশে পদক দিলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   ভারতের দুর্ভাগ্য যে বিজেপি কেন্দ্রীয় সরকারে ক্ষমতায় আছে: মমতা  » «   খালেদা জিয়ার আপিল গ্রহণের শুনানি বৃহস্পতিবার  » «  

যে কারনে জোঁক চুষে খাচ্ছে তরুণীর রক্ত!

bmmএক্সক্লুসিভ ডেস্ক:  রক্তশোষী জীব হিসেবে জোঁকের যথেষ্ট দুর্নাম রয়েছে।তরুণীরা নিজেদের ইচ্ছায় শরীরে ধারণ করছেন জোঁক, জোঁক রক্ত চুষে খাচ্ছে! যার ফলাফল হলো অবিশ্বাস্য।

এই জোঁককেই ব্যবহার করা হচ্ছে চর্মরোগের চিকিৎসায়। বলা হচ্ছে, জোঁক শরীরের দূষিত রক্ত শুষে নিয়ে বিশুদ্ধ রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি করে।

সেই সুবাদে চর্মরোগ থেকেও মুক্তি ঘটে। ছত্তিশগড়ের জিআই রোডে অবস্থিত আয়ুর্বেদিক হাসপাতালে এই পদ্ধতিতেই চলছে চর্মরোগের চিকিৎসা।  হাসপাতালের ডাক্তার উত্তমকুমার নির্মলকর জানাচ্ছেন, জোঁকের লালায় হিপেরিন, কেলিন এব‌ং বেডলিন নামের রাসায়নিক থাকে।

এগুলি ব্রণের মতো চর্মরোগ সারাতে সাহায্য করে।

যাঁরা ব্রণের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের ব্রণের উপরে ছেড়ে দেওয়া হয় জোঁক। জোঁক দূষিত রক্ত শুষে নিতে শুরু করে। পরিণামে সংশ্লিষ্ট অংশে শুদ্ধ রক্ত প্রবাহিত হতে থাকে। ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট ধরে এই রক্তশোধন প্রক্রিয়া চলে।

ডাক্তাররা জানাচ্ছেন, মোটামুটি চার সপ্তাহের চিকিৎসায় ব্রণ সম্পূর্ণ নির্মূল হয়। চিকিৎসা চলাকালীন মুলেঠি, যষ্টিমধু, মুখক্রান্তি, ঘৃতকুমারী, চন্দনের মতো ভেষজ উপাদান রোগীর মুখে প্রয়োগ করা হয়।  শুধু ব্রণ নয়, জোঁকের সাহায্যে এই হাসাপাতালে সারানো হচ্ছে টাকের সমস্যাও।

এর জন্য প্রথমে জোঁকগুলিকে হলুদ গোলা জলে ছেড়ে রাখা হয়। এতে জোঁকের রক্তশোষণের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এর পর রোগীর মাথার চুল কামিয়ে ফেলে টাকপড়া অংশে ছেড়ে দেওয়া হয় জোঁক। সেই অংশের দূষিত রক্ত জোঁক শুষে নেয়, এবং চুল ওঠার উপযোগী নিউট্রিশন সঞ্চারিত হয়। ফলে নতুন করে চুল গজায়।

এই অভিনব চিকিৎসাপদ্ধতির সুবিধা নিতে হাসপাতালে ভিড় হচ্ছে ভালই। রোগীরা বলছেন, চিকিৎসায় নাকি বেশ উপকার পাচ্ছেন। কিন্তু জোঁক দেখে ভয় লাগছে না? রোগীরা জানাচ্ছেন, জোঁক যে কখন তাঁদের রক্ত চুষে খাচ্ছে কিছু নাকি বুঝতেই পারছেন না তাঁরা।

‘আসলে জোঁকের মুখে এক ধরনের এনজাইম থাকে। তার সাহায্যে কোনও প্রাণীর রক্ত শোষণের সময়ে সংশ্লিষ্ট অংশটি অবশ করে দেয় তারা। তাদের শিকার তাই কিছু টেরই পায় না;’ জানালেন ডাক্তার নির্মলকর।-এবেলা

সংবাদটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ সংবাদ