বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে অবাধে আসা-যাওয়া, তারপর যা ঘটল  » «   মাদক নিয়ে বিরোধে প্রবাসী দুই ভাই খুন: পুলিশ  » «   আগামী নির্বাচনে আমরা জয়লাভ করব: প্রধানমন্ত্রী  » «   অমানবিক: স্বামীকে খুন, সার্জারি করে প্রেমিককে স্বামীর চেহারা দিলেন স্ত্রী!  » «   সোনালী ব্যাংকের নামফলকে এখনো ‘ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক অব পাকিস্তান’  » «   নারীদের মাঠে যেতে মানা করায় ইমামসহ তিনজন রিমান্ডে  » «   জেরুজালেম প্রশ্নে ওআইসি চুপ থাকতে পারে না: প্রেসিডেন্ট  » «   আওয়ামী লীগ ত্যাগ করলেন ২৬৯ জন  » «   নিরাপদ পৃথিবীর জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টা চান প্রধানমন্ত্রী  » «   জেরুজালেমকে রাজধানী পাওয়ার অধিকার কেবল ফিলিস্তিনিদের: সৌদি  » «   ‘আকায়েদ বাংলাদেশি নামের কলঙ্ক’  » «   জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী ঘোষণা করবে ওআইসি  » «   অভিশপ্ত চেয়ার: বসলেই মৃত্যু নিশ্চিত  » «   আমেরিকায় গিয়ে জঙ্গি হয়েছে আকায়েদ: পুলিশ  » «   সেনা চৌকিতে ধরা পড়া সেই ৭ ডিবি বিচারের মুখোমুখি  » «  

আত্মার পরিশুদ্ধতা ও পশুত্ব দমনে কুরবানি

downloadএইচ এম জোবায়ের : আল্লাহ সুবহানাহু তা’আলা মানব জাতির জন্য নবী-রাসূলগণের মাধ্যমে যুগে যুগে যেসব বিধি-বিধান জারি করেছেন কুরবানি তার একটি। যা মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইব্রাহীম (আ.) এর মহান সুন্নত। আল্লাহর তরফ থেকে একের পর এক কঠিন থেকে কঠিনতর পরীক্ষায় তিনি শতভাগ নম্বর নিয়ে পাস করেছেন। যার স্বীকৃতিস্বরূপ কুরবানির বিধানটি সামর্থ্যবানদের উপর কিয়ামত পর্যন্ত ওয়াজিব করে দেয়া হয়েছে। কুরবানির মাধ্যমে বান্দা তার রবের প্রতি নিরংকুশ আনুগত্যের অনন্য নজীর স্থাপন করে। মুসলিম মিল্লাতের উপর এই কুরবানির আত্মিক, পারিবারিক, সামাজিক ও আর্থিক প্রভাব সীমাহীন। খালেস নিয়ত ও আল্লাহভীতি হচ্ছে কুরবানি কবুল হওয়ার পূর্ব শর্ত। আল্লাহ পাক বলেন, “আর তাদেরকে আদমের দু-ছেলের সঠিক কাহিনীও শুনিয়ে দাও। তারা দুজন কুরবানি করলে তাদের একজনের কুরবানি কবুল করা হলো, অন্যজনেরটা কবুল করা হলো না। সে বললো, আমি  তোমাকে মেরে ফেলবো। সে জবাব দিল, আল্লাহ তো মুত্তাকিদের নজরানা কবুল করে থাকেন।” (সূরা মায়িদা- ২৭)।
কুরবানি কী?: কুরবানি শব্দটি আরবি ‘কুরবুন’ শব্দ থেকে এসেছে। যার অর্থ সান্নিধ্য, নৈকট্য, নিকটবর্তিতা, নাগাল ইত্যাদি। ইংরেজীতে যাকে- Proximity, nearness, closeness, intimacy, Secrefice ইত্যাদি বলা হয়। ইসলামী পরিভাষায় কুরবানি বলতে- মহান আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি লাভের জন্য আরবী জিলহজ্ব মাসের ১০ তারিখ সুবহে সাদিক থেকে ১২ তারিখ সুর্যাস্ত পর্যন্ত তাঁর নামে সুস্থ-সবল গৃহপালিত পশু জবেহ করাকে বুঝায়। আল্লাহ পাকের নৈকট্য ও সন্তুষ্টি লাভের আশায় তাঁর পথে রাসূল (সা.) এর নির্দেশিত পদ্ধতিতে নিজের আত্মত্যাগকেও কুরবানি বলা হয়। আল্লাহ তা’য়ালা এরশাদ করেন, “বলো, আমার নামায, আমার কুরবানি, আমার জীবন ও মৃত্যু সবকিছু আল্লাহ রব্বুল আলামীনের জন্য।” (সূরা আল আনআম- ১৬২)।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: পবিত্র কুরআনের সূরা আল হাজ্ব এর ৩৪ নম্বর আয়াত থেকে জানা যায় কুরবানির বিধান মানব সৃষ্টির শুরু থেকেই জারি ছিল। আল্লাহ বলেন- “প্রত্যেক উম্মতের জন্য আমি কুরবানির একটি নিয়ম ঠিক করে দিয়েছি, যাতে (সে উম্মতের) লোকেরা সে পশুদের ওপর আল্লাহর নাম নেয় যেগুলো তিনি তাদেরকে দিয়েছেন…।” সূরা মায়িদার ২৭ নম্বর আয়াতে হযরত আদম (আ) এর ছেলেদের কুরবানির কথা বলা হয়েছে। পরবর্তীতে অন্যান্য নবী-রাসূল (আ) এবং তাদের উম্মতগণও কুরবানির বিধান পালন করেছেন। বিশেষ করে, হযরত ইব্রাহীম (আ) এর কুরবানি আল্লাহ পাকের কাছে এত বেশী পছন্দ হয় যে তার প্রভুপ্রেম ও নিরংকুশ আনুগত্যকে কিয়ামত পর্যন্ত মানুষের মাঝে পৌঁছে দিতে কুরবানির বিধান সামর্থ্যবানদের উপর ওয়াজিব করে দেয়া হয়।
হযরত ইব্রাহীম (আ.) এর কুরবানি: ইবরাহীম (আ) ছিলেন হযরত নূহ (আ) এর সম্ভবত এগারোতম অধঃস্তন পুরুষ। নূহ থেকে ইবরাহীম পর্যন্ত প্রায় ২০০০ বছরের ব্যবধান ছিল। হযরত ছালেহ (আ)- এর প্রায় ২০০ বছর পরে ইব্রহীমের (আ) আগমন ঘটে। ঈসা থেকে ব্যবধান ছিল ১৭০০ বছর অথবা প্রায় ২০০০ বছরের। তিনি ছিলেন ‘আবুল আম্বিয়া’ বা নবীগণের পিতা। ইবরাহীম (আ) ছিলেন ইহুদী-খৃষ্টান-মুসলমান সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের পিতা। কেননা আদম (আ) হতে ইব্রাহীম (আ) পর্যন্ত ১০/১২ জন নবী বাদে শেষ নবী মুহাম্মাদ (সা) পর্যন্ত প্রায় সকলেই ছিলেন ইব্রহীম (আ) এর বংশধর। পবিত্র কুরআনের সূরা আলে ইমরান- ৩৩ আয়াতে বর্ণিত হয়েছে- “নিশ্চয়ই আল্লাহ আদম, নূহ, আলে ইব্রাহীম ও আলে ইমরানকে বিশ্ববাসীর উপরে নির্বাচিত করেছেন”।
মূলত হযরত ইব্রাহীম (আ) ছিলেন খলিলুল্লাহ বা আল্লাহর বন্ধু। তবে আল্লাহর ‘খলিল’ হওয়ার জন্য তাকে অসংখ্য কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়েছে। সব পরীক্ষায় তিনি শতভাগ সফলতা লাভ করে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের একান্ত আস্থা অর্জন করেন। পরিশেষে তাকে বিশ্ববাসীর জন্য ‘ইমাম’ নিযুক্ত করা হয়। আল্লাহ বলেন- ‘যখন ইব্রাহীমকে তার পালনকর্তা কয়েকটি বিষয়ে পরীক্ষা করলেন, অতঃপর তিনি তাতে উত্তীর্ণ হলেন, তখন আল্লাহ বললেন, আমি তোমাকে মানবজাতির নেতা করব। তিনি বললেন, আমার বংশধর থেকেও? তিনি বললেন, আমার অঙ্গীকার যালেমদের পর্যন্ত পৌঁছবে না’ (বাক্বারাহ- ১২৪)।
হযরত মুহাম্মদ (সা) এর মত তিনিও নিজের জন্মভূমিতে থাকতে পারেননি। দীনের দাওয়াত নিয়ে তাকে ফিলিস্তিন, ইরাক, মিশরসহ বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়াতে হয়েছে। তিনি বাবেল (ইরাক) শহরে জন্মগ্রহন করেন। সেখানে তাকে নিন্মোক্ত পরীক্ষাগুলোর সম্মুখীন হতে হয় : মূর্তিপূজারী নেতা-পুরোহিতদের সাথে তর্কযুদ্ধের পরীক্ষা, পিতার পক্ষ থেকে বহিষ্কারাদেশ, স্ত্রী ও ভাতিজা ছাড়া কেউ তার দাওয়াত কবুল না করা এবং তীব্র সামাজিক বিরোধীতা সত্ত্বেও স্বীয় দাওয়াতে অবিচল থাকার পরীক্ষা, তারকা পূজারীদের সাথে তর্ক যুদ্ধের পরীক্ষা, কেন্দ্রীয় দেবমন্দিরে ঢুকে মূর্তি ভাঙ্গার মত দুঃসাহসিক পরীক্ষা, রাজদরবারে স¤্রাটের সাথে তর্কযুদ্ধ ও বিনিময়ে জ¦লন্ত আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়ার পরীক্ষা।
এরপর তিনি কেন‘আনে (ফিলিস্তিন) হিজরত করেন। সেখানে তাকে নিন্মোক্ত পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়ঃ কঠিন দুর্ভিক্ষে নিপতিত হয়ে জীবিকার সন্ধানে মিশর গমন, মিশরের স¤্রাটের বদনজরে পড়ে স্ত্রী সারা অপহৃত হন, মিশর থেকে কেন‘আনে ফিরে আসার কিছুদিন পর দুধের বাচ্চা ইসমাঈল সহ স্ত্রী হাজেরাকে জনমানবহীন বিরাণভূমি ও নির্জন উপত্যকা মক্কায় রেখে আসার নির্মম পরীক্ষা, ৮০ বছর বয়সে নিজের খাৎনা নিজে করার পরীক্ষা, সবশেষে নিজের রক্তের বাঁধন ১৩/১৪ বছরের প্রাণের চেয়ে প্রিয় পুত্র ইসমাঈলকে কুরবানি করার পরীক্ষা।
চলুন ফিরে যাই আজ থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার বছর পূর্বের আরব মরুভূমিতে। বৃদ্ধ পয়গম্বর হযরত ইব্রাহীম (আ) কে আল্লাহপাক স্বপ্নযোগে বললেন, তোমার প্রিয় বস্তু আল্লাহর নামে কুরবানি কর। পর পর তিনদিন হযরত ইব্রাহীম (আ) এ স্বপ্ন দেখলেন এবং প্রতিদিন ১০০ করে মোট ৩০০ শত উট কুরবানি করলেন। পুণরায় স্বপ্নাদেশ হল- তোমার প্রিয় বস্তু কুরবানি কর। আল্লাহর পেয়ারা হাবীব বুঝতে পারলেন তাকে কোন বিষয়ের ইঙ্গিত দেয়া হচ্ছে। কাল বিলম্ব না করে তিনি ইসমাঈলকে স্বীয় অভিপ্রায় জানালেন। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন- “সে পুত্র যখন তার সাথে কাজকর্ম করার বয়সে পৌঁছুলো তখন একদিন ইব্রাহীম তাকে বললো, ‘হে পুত্র! আমি স্বপ্নে দেখি তোমাকে আমি যাবেহ করছি, এখন তুমি বল তুমি কি মনে কর?” সে বললো, “হে আব্বাজান! আপনাকে যা হুকুম দেয়া হচ্ছে তা করে ফেলুন, আপনি আমাকে ইনশাআল্লাহ সবরকারীই পাবেন।” (আস সফফাত- ১০২)।
পিতা তার প্রাণাধিক প্রিয় সন্তানকে নিয়ে কুরবানির স্থান মিনায় উপস্থি হলেন। নিজের চোখ বেঁধে পুত্রকে উপুর করে তার ঘাড়ে ছুরি চালালেন পিতা ইব্রাহীম (আ)। আল্লাহর হুকুমে ইসমাঈলের পরিবর্তে বেহেশতী দুম্বা জবেহ হয়ে গেল। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন- “শেষ পর্যন্ত যখন এরা দু’জন আনুগত্যের শির নত করে দিল এবং ইব্রাহীম পুত্রকে উপুড় করে শুইয়ে দিল। এবং আমি আওয়াজ দিলাম, হে ইব্রাহীম! তুমি স্বপ্নকে সত্য করে দেখিয়ে দিয়েছো। আমি সৎকর্মকারীদেরকে এভাবেই পুরস্কৃত করে থাকি। নিশ্চিতভাবেই এটি ছিল একটি প্রকাশ্য পরীক্ষা। একটি বড় কুরবানির বিনিময়ে আমি এ শিশুটিকে ছাড়িয়ে নিলাম এবং পরবর্তী বংশধরদের মধ্যে চিরকালের জন্য তার প্রশংসা রেখে দিলাম। শান্তি বর্ষিত হোক ইব্রাহীমের প্রতি।”  (আস সফফাত- ১০৪-১০৯)।
আত্মত্যাগের এত উঁচু মার্গের অনুপম উপমা পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি ঘটেনি। এই মহান ত্যাগের নজীর আল্লাহপাককে এত খুশি করে যে তিনি কিয়ামত পর্যন্ত মানুষের জন্য কুরবানির বিধান প্রতিষ্ঠা করে দেন। রাসূল (সা) বলেছেন, “কুরবানির দিন রক্ত প্রবাহিত করার চেয়ে প্রিয় কোন আমল আল্লাহর কাছে নেই। কুরবানিকারী কিয়ামতের দিন জবেহকৃত পশুর লোম, শিং, ক্ষুর, পশম ইত্যাদি নিয়ে আল্লাহর কাছে উপস্থিত হবে। কুরবানির রক্ত জমিনে পতিত হওয়ার আগেই তা আল্লাহর কাছে বিশেষ মর্যাদায় পৌঁছে যায়। অতএব, তোমরা কুরবানির সঙ্গে নিঃসংকোচ ও প্রফুল্লমন হও।” (ইবনে মাজা, তিরমিজি)।
কুরবানির উদ্দেশ্য : কুরবানির উদ্দেশ্য মূলত পশু কুরবানির আড়ালে মনের পশুত্বকে কুরবানি দেয়া। আল্লাহ তা‘য়ালা বলেন, “তাদের গোশতও আল্লাহর কাছে পৌঁছে না, তাদের রক্তও না। কিন্তু তাঁর কাছে পৌঁছে যায় তোমাদের তাকওয়া। তিনি তাদেরকে তোমাদের জন্য এমনভাবে অনুগত করে দিয়েছেন যাতে তাঁর দেয়া পথনির্দেশনার ভিত্তিতে তোমরা তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করো। আর হে নবী! সৎকর্মশীলদেরকে সুসংবাদ দিয়ে দাও। (সূরা আল হাজ্জ- ৩৭)।
মহান আল্লাহর তরফ থেকে বান্দাদের আত্মিক ও শারীরীক পরিশুদ্ধতার জন্য বিভিন্ন এবাদত-বন্দেগীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। যেগুলোর একনিষ্ঠ আমলের মাধ্যমে বান্দাহ তার শ্রষ্টার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ, শুকরিয়া আদায় ও নৈকট্য লাভ করে থকে। ইব্রাহীমী সুন্নত ‘কুরবানি’ তেমনি একটি এবাদত।
বান্দার সাথে আল্লাহর সম্পর্ক কিছু চুক্তি ও দেয়া-নেয়ার সম্পর্ক। বান্দাকে আল্লাহপাক অত্যাধিক ভালবাসেন। বান্দাহ ভুল করলে তিনি ক্ষমা করার জন্য উদগ্রীব হয়ে অপেক্ষা করেন। না চাইতেই তিনি বান্দাকে অবারিত দিয়ে থাকেন। তিনি মেহেরবানী করে বান্দাদের জন্য ভাল-মন্দ দুটি পথ বাতলে দিয়েছেন। তার নির্দেশিত পথে চললে চিরশান্তির জান্নাত এবং না চললে চির দু:খের জাহান্নাম প্রস্তুত করে রেখেছেন। অত:পর তিনি চান বান্দারা যেন তার দেখানো চির শান্তির পথে চলে। বিনা প্রশ্নে এবং পূর্ণ আন্তরিকতার সাথে তার সকল বিধান মেনে চলে। বান্দাগণ শুধু মৌখিকভাবে তাঁর স্বীকৃতি, গুণকীর্তন ও আনুগত্য প্রকাশ করে না-কি বাস্তব কর্মতৎপরতার মাধ্যমে তাঁর বিধান মেনে চলে তা তিনি পরীক্ষার মাধ্যমে দেখে নিতে চান।
এভাবে বান্দাগণ নিজেদের জীবন, পরিবার-পরিজন, ধন-সম্পদ সবকিছুর চেয়ে বেশী ভালবাসবে তার রবকে। তাঁর সন্তুষ্টির জন্য জীবন-সম্পদ অকাতরে কুরবানি করতে তিলমাত্র পিছপা হবেনা। মানুষের অর্থনেতিক ও আত্মিক পরিশুদ্ধির জন্য জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান এমনকি প্রাণের চেয়ে প্রিয় জিনিসটিও তাঁর পথে বিলিয়ে দিতে মোটেও কুন্ঠিত হবেনা।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ সংবাদ