বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির গেজেট ঃ বিচারকদের ওপর মাতাব্বরি করবেন আইনমন্ত্রী : ব্যারিস্টার মইনুল  » «   প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে অবাধে আসা-যাওয়া, তারপর যা ঘটল  » «   মাদক নিয়ে বিরোধে প্রবাসী দুই ভাই খুন: পুলিশ  » «   আগামী নির্বাচনে আমরা জয়লাভ করব: প্রধানমন্ত্রী  » «   অমানবিক: স্বামীকে খুন, সার্জারি করে প্রেমিককে স্বামীর চেহারা দিলেন স্ত্রী!  » «   সোনালী ব্যাংকের নামফলকে এখনো ‘ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক অব পাকিস্তান’  » «   নারীদের মাঠে যেতে মানা করায় ইমামসহ তিনজন রিমান্ডে  » «   জেরুজালেম প্রশ্নে ওআইসি চুপ থাকতে পারে না: প্রেসিডেন্ট  » «   আওয়ামী লীগ ত্যাগ করলেন ২৬৯ জন  » «   নিরাপদ পৃথিবীর জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টা চান প্রধানমন্ত্রী  » «   জেরুজালেমকে রাজধানী পাওয়ার অধিকার কেবল ফিলিস্তিনিদের: সৌদি  » «   ‘আকায়েদ বাংলাদেশি নামের কলঙ্ক’  » «   জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী ঘোষণা করবে ওআইসি  » «   অভিশপ্ত চেয়ার: বসলেই মৃত্যু নিশ্চিত  » «   আমেরিকায় গিয়ে জঙ্গি হয়েছে আকায়েদ: পুলিশ  » «  

সীমাহীন জুলুম-নির্যাতন ও ইসলামে মানবাধিকার

downloadপ্রফেসর তোহুর আহমদ হিলালী:  মানবাধিকার অত্যন্ত বিস্তৃত। শুধু মানুষ কেন, সমগ্র সৃষ্টিরই অধিকার রয়েছে সদাচরণ পাওয়ার। বৃক্ষ-লতারও অধিকার আছে যে, অহেতুক কেউ তার ডাল-পাতা ছিঁড়বে না বা ভাঙবে না। যে পশুকে জবেহ করে আমরা গোশত খাই তারও অধিকার হলো ভোঁতা অস্ত্র দিয়ে তাকে জবেহ করতে গিয়ে কষ্ট দেয়া হবে না, ভারবাহী পশু হলে তাকে তার সামর্থ্যরে অতিরিক্ত বোঝা দেয়া যাবে না, যা বহন করা তার জন্য কষ্টকর বা কোনো পশুপাখিকে আটকে রেখে তাকে কষ্ট দেয়াও গুনাহের কাজ।
মালিক-শ্রমিক ও মনিব-ভৃত্যেরও পারস্পরিক কিছু অধিকার ও কর্তব্য রয়েছে। মালিকের অধিকার হলো তার অধীন শ্রমিক-কর্মচারীরা পূর্ণ দায়িত্বানুভূতির সাথে কাজ করবেন। মালিকের কাছ থেকে সময়মতো ন্যায্য পারিশ্রমিক নেবেন আর দায়িত্ব পালনে অবহেলা করবেনÑ এটা কখনোই হতে পারে না। যারা নেয়ার সময় পুরোপুরি নেবেন আর দেয়ার সময় কম দেবেনÑ এমন লোকেদের জন্য রয়েছে ধ্বংস (সূরা আল-মুতাফ্ফিহিন)। শ্রমিকের অধিকার রয়েছে যে, মালিক তাকে ন্যায্য পারিশ্রমিক দেবেন ও উত্তম আচরণ করবেন।
মানুষের অধিকার সংরক্ষণের জন্য মানুষ সৃষ্টি করেছে রাষ্ট্র ও সরকারব্যবস্থা। রাষ্ট্র অনেক সময় তাকে নিরাপত্তা দিয়েছে, আবার অনেক স্বৈরশাসক রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে মানুষের ওপর জুলুম-নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়েছে। মানুষ বেশির ভাগ রাজতান্ত্রিক ও একনায়কতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্রের জাঁতাকলে পিষ্ট হয়েছে এবং এর থেকে পরিত্রাণের জন্য অনেক ত্যাগও স্বীকার করেছে। মানুষের কাজের জন্য স্র্রষ্টার কাছে জবাবদিহিতা ও আখেরাতের বদলাকে অস্বীকৃতিই এসব সীমাহীন জুলুম-নির্যাতনের কারণ। আল্লাহ তায়ালা প্রেরিত সব নবী-রাসূলকে সমসাময়িক রাজশক্তি মোটেই সহ্য করতে পারেনি এবং সবাই তাদের অস্তিত্বের জন্য নবী-রাসূলকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে মনে করেছে। বর্তমান স্বৈরতান্ত্রিক শাসকদের ভাষায় বলা যায় সব নবী-রাসূলই রাজনৈতিক ইসলাম নিয়ে এসেছেন। নমরুদের বিরুদ্ধে ইবরাহিম আ:, ফেরাউনের বিরুদ্ধে মুসা আ: ও আবু জেহেল-আবু লাহাবদের বিরুদ্ধে মুহাম্মদ সা:Ñ এই হলো ইতিহাস। নমরুদ-ফেরাউন-আবু জেহেলের অনুসারী বনাম ইবরাহিম আ:-মুসা আ:-মুহাম্মদ সা:-এর অনুসারীদের মধ্যে এ দ্বন্দ্ব চিরন্তন। সব বাধাবিপত্তি ডিঙিয়ে রাসূল সা: ইসলামকে একটি রাষ্ট্রীয় দ্বীন বা জীবনব্যবস্থা হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠা করেন।
রাসূল সা: প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রই ছিল যথার্থ কল্যাণমূলক রাষ্ট্র। তিনিই প্রথম ধারণা দিলেন রাষ্ট্র বা সরকার উৎপীড়ক নয়, জনগণের অধিকার সংরক্ষণই রাষ্ট্রের দায়িত্ব। জনগণের জান-মাল-সম্মানের পূর্ণ নিরাপত্তাদান রাষ্ট্রের মৌলিক কাজ। মক্কায় বসে তিনি এমনই স্বপ্ন দেখতেন এবং মক্কার কঠিন সময়ে যখন তাঁর সঙ্গীসাথীরা দুঃখ-কষ্ট-যন্ত্রণায় অস্থির হয়ে পড়তেন সে সময় তিনি আশার বাণী শুনিয়েছিলেন এই বলেÑ ‘সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন একজন ষোড়শী স্বর্ণালঙ্করসহ সানা থেকে হাজরা মাওত একাকী হেঁটে যাবে, তাকে আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ভয় করতে হবে না।’ তাঁর প্রতিষ্ঠিত সমাজে আরব-অনারব, সাদা-কালো, ধনী-দরিদ্র, নারী-পুরুষ, মনিব-ভৃত্য, শিক্ষিত-অশিক্ষিত কোনো ভেদাভেদ ছিল না; একটিই পরিচয় ‘তোমরা সবাই আদমের সন্তান আর আদম মাটির তৈরী।’ সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা কোনো-না-কোনোভাবে মানুষের অধিকার ক্ষুণœ হয়, এমন সব কাজকে তিনি নিষিদ্ধ (হারাম) ঘোষণা করেন। তিনি সমাজে সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেন এবং সন্দেহবশত কাউকে হয়রানি ছিল সে সমাজে অকল্পনীয়। শাসন ও বিচারকাজ পরিচালনায় তিনি ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের প্রতি অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘হাশরের ময়দানে যখন আল্লাহর আরশের ছায়া ছাড়া আর কোনো আশ্রয় থাকবে না, সেই কঠিন মুহূর্তে আরশের ছায়ার নিচে আশ্রয়প্রাপ্তদের মধ্যে অন্যতম হবেন ন্যায়পরায়ণ শাসক ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠাকারী বিচারক।’ আবার তিনি হুঁশিয়ারিও উচ্চারণ করেন এই বলে, ‘যে শাসক জালেম ও খিয়ানতকারী হিসেবে মৃত্যুবরণ করবে, আল্লাহ অবশ্যই তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেবেন।’ তিনি বলেন, ‘যে বিচারক সত্যকে জানতে পেরেও ফায়সালা করার ব্যাপারে অবিচার ও জুলুম করেছে, সে জাহান্নামে যাবে। আর যে অজ্ঞতা সত্ত্বেও জনগণের জন্য বিচার ফয়সালা করেছে সেও জাহান্নামি হবে।’
ইসলামে ধারণা, অনুমান ও সন্দেহ-সংশয়ের কোনো সুযোগ নেই। এ প্রসঙ্গে আল্লাহর বাণী স্মরণ করতে চাইÑ ‘হে ঈমানদারগণ! বেশি ধারণা ও অনুমান করা থেকে বিরত থাকো, কারণ কোনো কোনো ধারণা ও অনুমান গুনাহ। দোষ অন্বেষণ কোরো না। আর তোমাদের কেউ যেন কারো গিবত না করে। এমন কেউ কি তোমাদের মধ্যে আছে, যে তার নিজের মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়া পছন্দ করবে? দেখো, তা খেতে তোমাদের ঘৃণা হয়। আল্লাহকে ভয় করো। আল্লাহ অধিক পরিমাণে তওবা কবুলকারী এবং দয়ালু’ (সূরা হুজুরাত ১২)। গোপন বিষয় খোঁজাখুঁজি করতে রাসূল সা: নিষেধ করেন। কেউ যদি আড়াল থেকে কারো ঘরে উঁকি মারে তবে তার চোখ ফুটো করে দেয়ার জন্য তিনি বলেছেন। দুু’জন লোকের আলাপরত অবস্থায় তৃতীয়জন তা শোনার চেষ্টা করাকে তিনি গুনাহ বলেছেন। বর্তমান যুগে অপরের চিঠি পড়া বা টেলিফোনে আড়িপাতা একই অপরাধ। এ সবই অধিকার হরণের উদাহরণ। অবশ্য অপরাধী চিহ্নিতকরণে সবই বৈধ। অধিকার হরণ প্রসঙ্গে উমর রা:-এর একটি ঘটনা উল্লেখ করা যায়। তিনি নাগরিকদের অবস্থা জানার জন্য ছদ্মবেশে বের হতেন। একদিন চলার পথে এক বাড়ি থেকে গানের আওয়াজ শুনতে পান। তিনি দেয়াল টপকিয়ে দেখেন যে সেখানে নারী ও মদ। তিনি লোকটিকে উদ্দেশ করে বলেন, হে আল্লাহর দুশমন, ‘তুই কি মনে করেছিস যে অপরাধ করবি আর কেউ তা টের পাবে না।’ ইসলামে এরই নাম মানবাধিকার এবং তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল চৌদ্দ শ’ বছর আগে।
ইসলামি আইন ও দেশের প্রচলিত আইনে বিচার সম্পূর্ণ সাক্ষীনির্ভর। সত্য সাক্ষ্য গোপন করা যেমন বড় ধরনের জুলুম, তেমনি মিথ্যা সাক্ষ্যদান শিরকের সমতুল্য বড় গুনাহ। একজন মিথ্যা সাক্ষ্যদানকারী আর ইসলামের সীমার মধ্যে থাকে না; সে হয়ে পড়ে মুশরিক। রাসূল সা: সতর্ক করে বলেন, ‘তোমরা কেউ তোমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে আমার কাছে মিথ্যা নালিশ নিয়ে এসো না। আমি তোমাদের সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে রায় দিয়ে থাকি।’ রাসূল সা: বলেন (আবদুুল্লাহ ইবনে উমর রা: বর্ণিত), ‘সবচেয়ে বড় মিথ্যা হলো, মানুষ তার দুই চোখকে এমন জিনিস দেখাবে যা এ দুটো চোখ দেখেনি’ (সহিহ বুখারি)। যারা মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়, মিথ্যা সাক্ষ্যদানে উদ্বুদ্ধ করে এবং জেনেবুঝে এর পক্ষাবলম্বন করে এরা সবাই জালেম এবং দাউ দাউ করে জ্বলা আগুনই তাদের ঠিকানা।
বর্তমান মুসলিম বিশ্বে একশ্রেণীর মুসলমানের কাছে ইসলাম অসহ্য হয়ে পড়েছে। ইসলামপন্থীরা নানাভাবে নির্যাতিত হচ্ছে। এমনকি মহিলারাও নির্যাতন থেকে রেহাই পাচ্ছে না। যেকোনো ইসলামী বই পেলেই একশ্রেণীর মানুষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মুখস্থ কথা ‘প্রচুর জিহাদি’ বই উদ্ধার করা হয়েছে এবং তার সাথে তাল মিলিয়ে কিছু মিডিয়া জঙ্গি আবিষ্কার করে ফেলছে। জিহাদ ইসলামের অন্যতম ইবাদত এবং জিহাদমুক্ত জীবন মূলত মুনাফিকের জীবন (যে লোক মারা গেল অথচ জিহাদ করল না বা জিহাদের বাসনা মনে পোষণ করল না তার মৃত্যু হলো মুনাফিকের মৃত্যু (হাদিস)। জিহাদকেই আল্লাহ পাক নাজাতের একমাত্র উপায় বলে উল্লেখ করেছেন। আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! আমি কি তোমাদেরকে এমন একটি ব্যবসায়ের কথা বলব, যা তোমাদেরকে কঠিন আজাব থেকে মুক্তি দেবে? তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনো এবং অর্থসম্পদ ও জানপ্রাণ দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করো, এটাই তোমাদের জন্য কল্যাণকর যদি তোমরা জানতে। আল্লাহ তোমাদের গুনাহগুলো মাফ করে দেবেন এবং এমন জান্নাতে প্রবেশ করাবেন যার নিচ দিয়ে ঝর্নাধারা প্রবহমান। এটাই সবচেয়ে বড় সফলতা’ (সূরা সফ, ১০-১২)। তিনি আরো বলেন, ‘প্রকৃত ঈমানদার তারাই যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ওপর ঈমান এনেছে এবং এ ব্যাপারে আর কোনো সন্দেহ পোষণ করেনি। তারপর প্রাণ ও অর্থসম্পদ দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে। তারাই সত্যবাদী’ (সূরা হুজুরাত ১৫)। রাসূল সা: বলেন, ‘নামাজ হলো দ্বীনের ভিত্তি এবং জিহাদ হলো তার চূড়া।’ জিহাদের আভিধানিক অর্থ প্রাণান্ত চেষ্টা-প্রচেষ্টা চালানো। এই পৃথিবীতে সবাই নিরন্তর চেষ্টা-প্রচেষ্টায় নিয়োজিত, অর্থাৎ জিহাদে রত। কেউ তার সন্তানদের মুখে দু’মুঠো অন্নদানের জন্য প্রচেষ্টারত (জিহাদরত), আবার কেউ বা আদর্শিকভাবে ধর্মনিরপেক্ষতা বা সমাজতন্ত্রের পথে বা অন্য কোনো নীতি ও আদর্শের পথে জিহাদ বা প্রচেষ্টারত। যারা আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি লাভের আশায় তাঁর দ্বীন প্রতিষ্ঠার পথে চেষ্টা-প্রচেষ্টা চালায় তাদের এ প্রচেষ্টারই নাম জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ।
আজ বিশ্বব্যাপী ইসলামপন্থীরা সর্বপ্রকার মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত এবং তাদের ওপর সীমাহীন জুলুম-নির্যাতন করা হচ্ছে। যে রাষ্ট্রযন্ত্র তার নাগরিকদেরকে জুলুম থেকে রক্ষা করবে আজ সেই রাষ্ট্রযন্ত্রকে জুলুমের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। ওদের অপরাধ হলো আল্লাহর ভাষায় ‘ওরা পরাক্রমশালী আল্লাহর ওপর ঈমান এনেছে’ (সূরা বুরুজ)। যেকোনো বিচারে ঈমানদাররা নীতি-নৈতিকতা, আচার-আচরণ, অফিস-আদালত-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন ও ব্যবসায়িক লেনদেনে সর্বোত্তম ব্যক্তি। ইসলামে বিশ্বাস ও তা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা-প্রচেষ্টাই তাদের অপরাধ। নেশার জগতে ওরা দাবি করে যে, তারা শতভাগ নেশামুক্ত। আল্লাহ পাক তাঁর বান্দাহদের ওপর জুলুম কখনোই সহ্য করেন না। সাধারণত তিনি শাস্তিদানের জন্য তাড়াহুড়ো করেন না, তিনি তাঁর বান্দাহর মৃত্যু পর্যন্ত অপেক্ষা করেন যে, সে ফিরে আসে কি না। আল্লাহ বলেন, ‘যারা কুফুরি করেছে এবং আল্লাহর পথে চলতে বাধা দিয়েছে আল্লাহ তাদের সব কাজকর্ম ব্যর্থ করে দিয়েছেন’ (সূরা মুহাম্মদ)। তিনি আরো বলেন, ‘যারা মুমিন পুরুষ ও নারীদের ওপর জুলুমপীড়ন চালিয়েছে, তারপর তা থেকে তওবা করেনি, নিশ্চিতভাবে তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের আজাব এবং জ্বালাপোড়ার শাস্তি। আর যারা ঈমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে নিশ্চিতভাবেই তাদের জন্য রয়েছে জান্নাতের বাগান, যার নি¤œœদেশে ঝরনাধারা প্রবাহিত। এটিই বড় সাফল্য’ (সূরা বুরুজ, ১০-১১)।
লেখক : গবেষক

সংবাদটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ সংবাদ