বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
শেখ হাসিনার ‘ফটোজেনিক মেধাবী’ জিনিসটি আসলে কী?  » «   সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করতে হবে : শিবির সভাপতি  » «   খালেদার বক্তব্য বিকৃত করে রায় দিয়েছেন আখতারুজ্জামান!  » «   একজন ভাষাসৈনিক গোলাম আজম এবং আমার ভাবনা  » «   আগামী বছর নতুন পদ্ধতিতে এসএসসি  » «   ধনীদের আরো বেশি কর দেয়া উচিত: বিল গেটস  » «   খালেদা ভোটের যোগ্যতা হারালে কিছু করার নেই: কাদের  » «   তারেকের স্ত্রী, কন্যার ব্রিটিশ নাগরিকত্বের আবেদনের খবর  » «   খালেদার জামিন আবেদনের আগেই কপি চান অ্যাটর্নি জেনারেল  » «   ব্যাংকে জালিয়াতির কোনো ঘটনায় ছাড় দেয়া হয়নি: তোফায়েল  » «   বাংলাদেশকে কেউ আর অবহেলার সাহস পায় না: প্রধানমন্ত্রী  » «   বাসের ধাক্কায় ৪ অটোযাত্রী নিহত  » «   ২১ গুণীজনকে একুশে পদক দিলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   ভারতের দুর্ভাগ্য যে বিজেপি কেন্দ্রীয় সরকারে ক্ষমতায় আছে: মমতা  » «   খালেদা জিয়ার আপিল গ্রহণের শুনানি বৃহস্পতিবার  » «  

বিয়ের আগেই এক বিছানায় নারী-পুরুষ!এটাই এই গ্রামের অভিনব রীতি!

po পরিবার বা সম্প্রদায়ের সম্মানরক্ষায় অনেক প্রেমিক-প্রেমিকাকেই ‘অনার কিলিং’-এর বলি হতে হয়েছে। বিশেষত আদিবাসী সম্প্রদায়গুলি এই ধরনের সম্পর্কে ভীষণ রকম কড়া।

তবে, ভারতেরই এক আদিবাসী সম্প্রদায় যে এর উল্টোধারায় বিশ্বাস করে তা ক’জন জানতেন? যেখানে কোনও বাঁধার সম্মুখীন না হয়েই বিয়ের আগে নিজের ভালোবাসার মানুষটির সঙ্গে বছরের পর বছর এক সাথে রাত কাটানো যায়।

ভারতের রাজস্থানের গাড়সিয়া সম্প্রদায়ের এটাই রীতি। বিয়ে না করেই এই সম্প্রদায়ের পুরুষ এবং মহিলারা একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন। এরপরে যখন আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য আসে, তখনই দু’জনে বিয়ে করেন।

যেমন, সম্প্রতি ৭০ বছরের নানিয়া গাড়সিয়ার সঙ্গে তার ৬০ বছর বয়সী ‘লিভ-ইন’ পার্টনার কালির বিয়ে হল। তাদের তিন সন্তানও একই দিনে নিজেদের ‘লিভ-ইন’ পার্টনারকে বিয়ে করেছেন। লিভিং সম্পর্ক থেকেই তাদের এই তিন সন্তানের জন্ম।

প্রথা অনুযায়ী, কৈশোরেই এই সম্প্রদায়ের ছেলেমেয়েরা নিজেদের পছন্দের সঙ্গির সঙ্গে পালিয়ে যায়। এরপর তারা ফিরে এসে এক সাথে থাকতে শুরু করে। আপত্তি করা দূরে থাক, নতুন জীবন শুরু করার আগে ছেলেটির পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়েটির পরিবারের হাতে কিছু অর্থও তুলে দেওয়া হয়। এরপরে যখন এই পার্টনাররা বিয়ে করেন, সেই সময় বিয়ের সমস্ত খরচও পাত্রপক্ষ বহন করে।

এমন প্রথা নিয়ে হয়তো অনেকেই নাক কুঁচকোতে পারেন। কিন্তু বাস্তবটা হল, এমন সামাজিক উদারতা থাকার জন্যই এই আদিবাসী সম্প্রদায়ে জোর করে সম্ভম নষ্ট বা পণের দাবিতে মৃত্যুর মতো ঘটনা নেই বললেই চলে। রাজস্থানের এই আদিবাসী সম্প্রদায়ে মহিলাদের সামাজিক প্রতিষ্ঠা পুরুষদের তুলনায় বেশি ছাড়া কম নয়। -এবেলা

সংবাদটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ সংবাদ