শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
নারী ধূমপায়ীদের তালিকায় বাংলাদেশ এখন শীর্ষে  » «   এবার বনানী থেকে শিক্ষা কর্মকর্তা নিখোঁজ  » «   মানুষ অবৈধ শাসকগোষ্ঠীর নির্মম শিকলে বন্দী: খালেদা জিয়া  » «   আসামে বাংলাভাষী বিতাড়নের প্রতিবাদে বিক্ষোভ  » «   ইসরাইলী সেনার গুলিতে ১ ফিলিস্তিনী নিহত  » «   তীব্র সমালোচনার মুখে ছবিগুলো সরিয়ে নিলো ভারতীয় দূতাবাস  » «   নারায়ণগঞ্জে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বঙ্গবন্ধু সড়কে হকাররা  » «   আমরা লজ্জা পাচ্ছি, তারা কি পাচ্ছেন একটুও: আসিফ নজরুল  » «   সিলেটে অর্থমন্ত্রীর গাড়ি চাপায় আহত ২০  » «   জিয়ার মাজারের খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা নিবেদন  » «   সিলেট-লন্ডন ফ্লাইট চালু করতে ৪৫০ কোটি টাকার প্রকল্প  » «   মেয়র আইভী সিসিইউতে  » «   সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ৮০ ভাগ মানুষ বিএনপিকে ভোট দিবে: মির্জা ফখরুল  » «   মুসলমানদের সঙ্গে প্রতারণা করছে সৌদি আরব: খামেনি  » «   বাবার লাশ নিয়ে এক তরুণের বাড়ি যাওয়ার মর্মান্তিক বর্ণনা  » «  

একাধিক রোগের প্রতিরোধক লেটুস পাতা!

ltলেটুস পাতায় উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান, যেমন ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, জিঙ্ক, ফলেট, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন সি, এ, ই এবং কে রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলস্টেরলের মাত্রা যেমন কমায়। সেই সঙ্গে ক্যান্সারের মতো মরণ রোগকে দূরে রাখতে, ব্রেন পাওয়ার বাড়াতে, ইনসমনিয়ার মতো রোগের প্রকোপ কমাতে এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

১। এই প্রকৃতিক উপদানটির ভেতরে উপস্থিত একাধিক অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান প্রদাহ হ্রাসে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে শরীরের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। এই পাতাটির ভিতর লাইপক্সিজেনেস এবং ক্যারেজেনান নামক দুটি উপাদান থাকে, যা এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২। নিউরনদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে লেটুস পাতার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আর একবার নিউরনদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে একদিকে যেমন স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটে, তেমনি অ্যালজাইমার্স মতো ব্রেন ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে। তাই যাদের পরিবারে এই ধরনের মস্তিষ্কঘটিত রোগের ইতিহাস রয়েছে তারা ডায়েটে লেটুস পাতাকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

৩। শরীরকে সুস্থ এবং রোগমুক্ত রাখতে এই উপাদানটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। শরীরে যাতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতি কোনও সময় না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেওয়ার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে তুলতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে লেটুস পাতা।

৪। লেটুস পাতায় প্রচুর মাত্রায় রয়েছে অ্যানজিওলাইটিক প্রপাটিজ, যা স্ট্রেস এবং অ্যাংজাইটি লেভেল কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এই কারণেই তো স্ট্রেস বা দুশ্চিন্তা বাড়লে লেটুস পাতা জলে ফুটিয়ে সেই জল খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।

৫। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত লেটুস পাতার রস খাওয়া শুরু করলে শরীরের ভিতরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টর মাত্রা এতটা বৃদ্ধি পায় যে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে যে এই উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করার পর টক্সিক উপাদানদের খুঁজে খুঁজে বের করে দেয়। ফলে ক্যান্সার রোগ ধারে কাছে ঘেঁষারও সুযোগ পায় না।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ সংবাদ