শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
নারী ধূমপায়ীদের তালিকায় বাংলাদেশ এখন শীর্ষে  » «   এবার বনানী থেকে শিক্ষা কর্মকর্তা নিখোঁজ  » «   মানুষ অবৈধ শাসকগোষ্ঠীর নির্মম শিকলে বন্দী: খালেদা জিয়া  » «   আসামে বাংলাভাষী বিতাড়নের প্রতিবাদে বিক্ষোভ  » «   ইসরাইলী সেনার গুলিতে ১ ফিলিস্তিনী নিহত  » «   তীব্র সমালোচনার মুখে ছবিগুলো সরিয়ে নিলো ভারতীয় দূতাবাস  » «   নারায়ণগঞ্জে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বঙ্গবন্ধু সড়কে হকাররা  » «   আমরা লজ্জা পাচ্ছি, তারা কি পাচ্ছেন একটুও: আসিফ নজরুল  » «   সিলেটে অর্থমন্ত্রীর গাড়ি চাপায় আহত ২০  » «   জিয়ার মাজারের খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা নিবেদন  » «   সিলেট-লন্ডন ফ্লাইট চালু করতে ৪৫০ কোটি টাকার প্রকল্প  » «   মেয়র আইভী সিসিইউতে  » «   সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ৮০ ভাগ মানুষ বিএনপিকে ভোট দিবে: মির্জা ফখরুল  » «   মুসলমানদের সঙ্গে প্রতারণা করছে সৌদি আরব: খামেনি  » «   বাবার লাশ নিয়ে এক তরুণের বাড়ি যাওয়ার মর্মান্তিক বর্ণনা  » «  

আসছে আরেকটি ভয়াবহ শৈত্য প্রবাহ!

cldকনকনে শীতে কাপছে পুরো দেশ। রাজধানীর চেয়ে গ্রামীণ জনপদে শীতের তীব্রতার সঙ্গে ঘন কুয়াশা আর উত্তরে শিরশিরে হাওয়ায় কাহিল অবস্থা জনজীবন। ৮ দিন ধরে দেশজুড়ে বইছে শৈত্যপ্রবাহ। এ সময় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছিল তেঁতুলিয়ায়।

মৃদু ও মাঝারী শৈত্য প্রবাহে অনেকটাই বিপর্যস্ত জনজীবন। শীতবস্ত্রের অভাবে কনকনে ঠাণ্ডায় ভুগছেন হতদরিদ্ররা। এদিকে, ঠাণ্ডাজনিত রোগ বালাইয়ে নাকাল শিশু ও বৃদ্ধরা। সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকে চারপাশ। শুক্রবার চুয়াডাঙ্গার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়ার স্বল্প মেয়াদী পূর্বাভাস বলছে, শীত আরো দুই দিন বাড়বে। জানুয়ারির শেষদিকে আসতে পারে আরেকটি শৈত্যপ্রবাহ। যা বয়ে যাবে ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে।

জানুয়ারি মাসে সব মিলিয়ে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এছাড়া, ফেব্রুয়ারি মাসে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। বৃষ্টির কারণে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমদিকে একটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম বলেন, ১৪ জানুয়ারির পর কোথাও কোথাও রাতের তাপমাত্রা বেড়ে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতির দিকে যেতে পারে। মূলত ঘন কুয়াশার কারণে সূর্যের আলো আসতে পারছে না। বাংলাদেশের ভূখণ্ডে সূর্যের কিরণ আসতে পারছে না। এখানে ভূখণ্ড উত্তপ্ত হতে পারছে না। দিনের তাপমাত্রা প্রয়োজনমতো বাড়ছে না। বইছে উত্তর-পশ্চিমের হিমেল হাওয়া। তাই শীতের তীব্রতা কমছে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ সংবাদ