শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
নারী ধূমপায়ীদের তালিকায় বাংলাদেশ এখন শীর্ষে  » «   এবার বনানী থেকে শিক্ষা কর্মকর্তা নিখোঁজ  » «   মানুষ অবৈধ শাসকগোষ্ঠীর নির্মম শিকলে বন্দী: খালেদা জিয়া  » «   আসামে বাংলাভাষী বিতাড়নের প্রতিবাদে বিক্ষোভ  » «   ইসরাইলী সেনার গুলিতে ১ ফিলিস্তিনী নিহত  » «   তীব্র সমালোচনার মুখে ছবিগুলো সরিয়ে নিলো ভারতীয় দূতাবাস  » «   নারায়ণগঞ্জে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বঙ্গবন্ধু সড়কে হকাররা  » «   আমরা লজ্জা পাচ্ছি, তারা কি পাচ্ছেন একটুও: আসিফ নজরুল  » «   সিলেটে অর্থমন্ত্রীর গাড়ি চাপায় আহত ২০  » «   জিয়ার মাজারের খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা নিবেদন  » «   সিলেট-লন্ডন ফ্লাইট চালু করতে ৪৫০ কোটি টাকার প্রকল্প  » «   মেয়র আইভী সিসিইউতে  » «   সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ৮০ ভাগ মানুষ বিএনপিকে ভোট দিবে: মির্জা ফখরুল  » «   মুসলমানদের সঙ্গে প্রতারণা করছে সৌদি আরব: খামেনি  » «   বাবার লাশ নিয়ে এক তরুণের বাড়ি যাওয়ার মর্মান্তিক বর্ণনা  » «  

টানা চার দিনের অনশনে অসুস্থ ১০৬ মাদরাসা শিক্ষক

22সকল রেজিস্টার্ড স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা জাতীয়করণের দাবিতে চতুর্থ দিনের মতো আমরণ অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষকরা। এখন পর্যন্ত অসুস্থ হয়েছেন ১০৬ জন। গুরুতর অসুস্থ ১০ জনের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি  হয়েছেন সাতজন। তাদের ন্যায্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। কনকনে শীতে টানা আট দিন অবস্থান ধর্মঘটের পর গত মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে আমরণ অনশন শুরু করেছেন শিক্ষকরা।

বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষক সমিতির মহাসচিব কাজী মখলেছুর রহমান বলেন, চতুর্থ দিনের মতো আজ আমরা অনশন চালিয়ে যাচ্ছি। এখন পর্যন্ত ১০৬ জন শিক্ষক অসুস্থ হয়েছেন। তবে আমাদের এই ন্যায্য দাবি মেনে না নেয়া পর্যন্ত এই অনশন কর্মসূচি চলবে।

তিনি আরো বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা সরকারের কোনো পক্ষের কাছ থেকে কোনো ধরনের আশ্বাস পাইনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি কাউকে পাঠিয়ে আমাদের খোঁজ নিয়ে দেখেন আমরা কী কষ্টে আছি।

বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি রুহুল আমিন পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, আমরা শিক্ষামন্ত্রীর কোনো কথায় আর আশ্বস্ত হতে পারছি না। আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ঘোষণা শুনতে চাই। অন্যথায় আমরা অনশন চালিয়ে যাবো।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, একই পরিপত্রে ১৯৯৪ সালে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণ করা হয় ৫০০ টাকা। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি ৫ম শ্রেণির কার্যক্রম একই হলেও ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে সরকার। এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি মাসে ২২ থেকে ৩০ হাজার টাকা বেতন হলেও ১ হাজার ৫১৯টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকরা সরকারের থেকে কোনো বেতন পান না।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ সংবাদ