শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
নারী ধূমপায়ীদের তালিকায় বাংলাদেশ এখন শীর্ষে  » «   এবার বনানী থেকে শিক্ষা কর্মকর্তা নিখোঁজ  » «   মানুষ অবৈধ শাসকগোষ্ঠীর নির্মম শিকলে বন্দী: খালেদা জিয়া  » «   আসামে বাংলাভাষী বিতাড়নের প্রতিবাদে বিক্ষোভ  » «   ইসরাইলী সেনার গুলিতে ১ ফিলিস্তিনী নিহত  » «   তীব্র সমালোচনার মুখে ছবিগুলো সরিয়ে নিলো ভারতীয় দূতাবাস  » «   নারায়ণগঞ্জে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বঙ্গবন্ধু সড়কে হকাররা  » «   আমরা লজ্জা পাচ্ছি, তারা কি পাচ্ছেন একটুও: আসিফ নজরুল  » «   সিলেটে অর্থমন্ত্রীর গাড়ি চাপায় আহত ২০  » «   জিয়ার মাজারের খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা নিবেদন  » «   সিলেট-লন্ডন ফ্লাইট চালু করতে ৪৫০ কোটি টাকার প্রকল্প  » «   মেয়র আইভী সিসিইউতে  » «   সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ৮০ ভাগ মানুষ বিএনপিকে ভোট দিবে: মির্জা ফখরুল  » «   মুসলমানদের সঙ্গে প্রতারণা করছে সৌদি আরব: খামেনি  » «   বাবার লাশ নিয়ে এক তরুণের বাড়ি যাওয়ার মর্মান্তিক বর্ণনা  » «  

এবার হয়তো আর সংলাপ হবে না : তোফায়েল আহমেদ

356873_1

গত নির্বাচনের আগে সংলাপের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে আওয়ামী লীগ, আর সেই কারণে এবার হয়তো আর সংলাপ হবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘নির্বাচন কমিশনের প্রতি জনগণের আস্থা’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে ১১তম যে আমাদের সংসদ হতে যাচ্ছে, সে নির্বাচনে বিএনপি আসবেই। এখন ধরেন বলার জন্য তারা বলে সংলাপ হতে হবে। সংলাপ তো আমরা চেষ্টা করে আমরা প্রত্যাখ্যাত হয়েছি। সে জন্য আর হয়তো সংলাপের উদ্যোগ নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সংবিধান অনুসারেই নির্বাচন হবে। সুতরাং আমরা আশা করি সবার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আমরা একটি অবাধ, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ইনমা আল্লাহ বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে।’

নির্বাচনে যারা পরাজিত হয় তারা সবসময়ই কারচুপির অভিযোগ করে বলে অভিযোগ করেন মন্ত্রী। বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুরু করে সব দেশেই এখন র্নিবাচনে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। তারপরও যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী তারা নির্বাচনে অংশ নেয়।

দেশের মানুষ এখন সচেতন, তাই যারা প্রকৃত দেশপ্রেমিক আগামী নির্বাচনে মানুষ তাদেরই নির্বাচিত করবে বলেও মন্তব্য করেন তোফায়েল আহমেদ।

উৎসঃ   এনটিভি

‘নির্বাচন বিএনপির অধিকার, বসাবসির কী প্রয়োজন’

356884_1

সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদেরসড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘নির্বাচন বিএনপির অধিকার, এটা সুযোগ নয়। বসাবসির কী প্রয়োজন এখানে? সরকারের দয়াদাক্ষিণ্যের ওপর নির্বাচন করবে তারা? তাহলে সংলাপে বসবে কেন? নির্বাচন নিয়ে কোনও জটিলতা আছে বলে জনগণ মনে করে না।’ শনিবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদেরের ভাষ্য, ‘সংলাপ কেন হবে না, প্রয়োজন হলে হবে। কিন্তু এখন নির্বাচনের ব্যাপারে সংলাপের প্রয়োজনীয়তা দেখছি না। নির্বাচনের জন্য সংবিধানে যে পথ রয়েছে, সেই অনুযায়ী নির্বাচন হবে। সেই পথ নিয়ে সংলাপ করতে হবে কেন?’

২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংলাপের জন্য খালেদা জিয়াকে গণভবনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি যাননি। এছাড়া খালেদা জিয়ার ছেলে কোকো মারা যাওয়ার তাদের বাড়ির সামনে গিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। কিন্তু দরজা বন্ধ রেখে তাকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

এসব প্রসঙ্গ টেনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সংলাপের পরিবেশ বিএনপিই রাখেনি। সেদিন প্রধানমন্ত্রীকে নোংরা ভাষায় অসৌজন্যমূলক কথা বলেছেন খালেদা জিয়া, মনে আছে? সেদিন প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে খালেদা জিয়া গণভবনে এলে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চেহারাটা অন্যরকম হতো। সংলাপের পরিবেশ তারাই নষ্ট করলেন। পুত্রহারা মাকে দেখার জন্য প্রধানমন্ত্রী যাওয়ার পর ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়ে সংলাপের দরজা বন্ধ করে দিলেন তিনি। বিএনপি সংলাপের কথা যতই বলে, এটা তাদের রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি। সংলাপের মানসিকতা তাদের মধ্যে নেই। তারা সংলাপ চায় না। সংলাপের ইচ্ছা থাকলে নোংরা ভাষায় সংলাপের আহ্বান প্রত্যাখান করতো না তারা।’

ওবায়দুল কাদেরের ভাষ্য, ‘আন্দোলনের নামে এবার কোনও আগুন-সন্ত্রাস হলে বাংলাদেশের জনগণ বিএনপিকে মাঠেই প্রতিরোধ করবে। এজন্য কোনও সংলাপের প্রয়োজন হবে না। এবার আর কোনও অচলাবস্থা জনগণকে দিয়ে তৈরি করতে পারবে না তারা। আগুন-সন্ত্রাস করে তারা যে ভুল করেছে, সেই ভুলের মাশুল তাদের আরও অনেকদিন দিতে হবে।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। নির্বাচনের সময় নির্বাচনকালীন সরকার থাকবে, এটা সংবিধানেই আছে। ওই ক্যাবিনেটের কাজ ও আকার কমে আসে। তারা সরকারের রুটিন কাজ পালন করবে। নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো ইসির অধীনে চলে যায়। নির্বাচন কমিশনের যে যে সহযোগিতা দরকার, নির্বাচনকালীন সরকার তাই করবে।’

জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ভাষণ যারা শুনেছেন তারা একবাক্যে প্রশংসা করেছেন ও সমর্থন দিয়েছেন বলে দাবি ওবায়দুল কাদেরের। তার বক্তব্য— ‘প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে এই ভাষণ পরবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নয়। পরবর্তী প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে জাতির উদ্দেশে এই ভাষণ দিয়েছেন তিনি। তার এই ভাষণ ইতিবাচক, গঠনমূলক ও রাষ্ট্রনায়কসুলভ ভাষণ। দলমত নির্বিশেষে এমনকি বিএনপির সমর্থকরাও প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে ইতিবাচক রাষ্ট্রনায়কসুলভ আখ্যা দিয়েছেন। এই ভাষণে জনগণ খুশি হয়েছেন, গ্রহণ করেছেন। বিএনপি চরমভাবে হতাশ হয়েছে। হতাশাগ্রস্ত বিএনপি মিথ্যাচারের ভাঙা রেকর্ড আবারও বাজিয়েছে।’

বিএনপিকে ইঙ্গিত করে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘মানুষের চোখের ভাষা যারা বোঝেন না তারাই রাজনীতিতে ভুল করতে করতে ভুলের বালুচরে আটকায়। বিএনপি মানুষের চোখের ভাষা বোঝে না বলেই ৫ জানুয়ারির (২০১৪) নির্বাচন বয়কট করে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।’

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার (১৩ জানুয়ারি) গুলশান-২ নম্বরে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তার দল। এখানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যদি নির্বাচনকালীন সরকার সম্পর্কে নতুন কিছু ভেবে থাকেন, তাহলে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। বিএনপি মনে করে, সংলাপের মাধ্যমেই ২০১৮ সালের নির্বাচন সম্পর্কে অর্থবহ সমাধানে আসা সম্ভব।’

এর আগে শেখ হাসিনার শাসনামলকে পাকিস্তানের স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের শাসনামলের সঙ্গে তুলনা করে বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল। তাই তার কঠোর সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তারা জেনেশুনে পাকিস্তানি ভাবধারায় বিশ্বাসী। তাদের রাজনীতি পাকিস্তানি ভাবধারায় এটা তারা বুঝিয়ে দিয়েছেন।’

এদিকে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ মন্তব্য করেন, নির্বাচনকালীন সরকার বলে সংবিধানে কিছু নেই। এর জবাবে শনিবারের সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদেরের ভাষ্য, ‘ব্যারিস্টার মওদুদ বহুরূপী। মওদুদ সম্পর্কে যত কম কথা বলা যায় ততই ভালো। তিনি আইনের মুখোশ পরে বেআইনি কথা বলেন। সংবিধানে সবই আছে। সংবিধান আরেকবার ভালোভাবে দেখবেন।’

উৎসঃ   বাংলা ট্রিবিউন

বিষাক্ত মদপানে যুবলীগ নেতাসহ দুজনের মৃত্যু

356887_1

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ পুনর্বাসন এলাকায় বিষাক্ত মদপান করে যুবলীগ নেতাসহ দুজন মারা গেছেন। এরা দুজনই ওই এলাকায় তাঁতের শাড়িসহ বিভিন্ন মালামাল ট্রাকে ওঠানো-নামানোর শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন।

আজ শনিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আলম শেখ ও শুক্রবার রাতে রমজান আলী নামের শ্রমিকের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরো ৩ শ্রমিক অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন বলে জানা গেছে।

মৃত ব্যক্তিরা হলেন, সদর উপজেলার সয়দাবাদ পুনর্বাসন এলাকার বাসিন্দা সয়দাবাদ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলম শেখ (৪২) ও বেলকুচি উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের মকিমপুর কোনাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা রমজান আলী (৪৫)।

এ ঘটনায় অসুস্থ শ্রমিক সেরাজ, বাদশা ও আলম জেলার বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সয়দাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল আজিজ মষ্ডল জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে রমজান আলী ও আলমসহ পাঁচ লোড-আনলোড শ্রমিক মদপান করেন। শুক্রবার সকালে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের লোকজন তাঁদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করে। এঁদের মধ্যে রমজান আলী সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই মারা যান এবং শনিবার দুপুরের দিকে একই হাসপাতালে আলম শেখ মারা যান।

সিরাজগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে নিহত আলমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে রমজান আলীর মরদেহ রাতেই পরিবারের লোকজন নিয়ে গেছে। তবে অসুস্থরা কোন হাসপাতালে আছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান ওসি।

উৎসঃ   এনটিভি
সংবাদটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ সংবাদ