বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
শেখ হাসিনার ‘ফটোজেনিক মেধাবী’ জিনিসটি আসলে কী?  » «   সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করতে হবে : শিবির সভাপতি  » «   খালেদার বক্তব্য বিকৃত করে রায় দিয়েছেন আখতারুজ্জামান!  » «   একজন ভাষাসৈনিক গোলাম আজম এবং আমার ভাবনা  » «   আগামী বছর নতুন পদ্ধতিতে এসএসসি  » «   ধনীদের আরো বেশি কর দেয়া উচিত: বিল গেটস  » «   খালেদা ভোটের যোগ্যতা হারালে কিছু করার নেই: কাদের  » «   তারেকের স্ত্রী, কন্যার ব্রিটিশ নাগরিকত্বের আবেদনের খবর  » «   খালেদার জামিন আবেদনের আগেই কপি চান অ্যাটর্নি জেনারেল  » «   ব্যাংকে জালিয়াতির কোনো ঘটনায় ছাড় দেয়া হয়নি: তোফায়েল  » «   বাংলাদেশকে কেউ আর অবহেলার সাহস পায় না: প্রধানমন্ত্রী  » «   বাসের ধাক্কায় ৪ অটোযাত্রী নিহত  » «   ২১ গুণীজনকে একুশে পদক দিলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   ভারতের দুর্ভাগ্য যে বিজেপি কেন্দ্রীয় সরকারে ক্ষমতায় আছে: মমতা  » «   খালেদা জিয়ার আপিল গ্রহণের শুনানি বৃহস্পতিবার  » «  

রোহিঙ্গারা কোথায় ফিরবে: প্রশ্ন জাতিসংঘ দূতের

188542_1

ঢাকা: আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলোর মানবিক পরিস্থিতির আরো অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ দূত ইয়াংহি লি আলজাজিরা টিভি চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, কয়েক মাস পরই বাংলাদেশে বর্ষাকাল শুরু হবে। বর্ষাকালে সেখানকার জনাকীর্ণ ক্যাম্পগুলোতে ভূমিধসের কারণে আমরা হয়তো অনেককেই হতাহত হতে দেখবো। অতিবৃষ্টির কারণে নানা ধরনের রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর জনাকীর্ণ অবস্থার উন্নতি ঘটাতে সহযোগিতা করার জন্য আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মায়ানমারে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন পরিকল্পনা প্রসঙ্গে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ দূত বলেন, মায়ানমারে এখনো রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় নি। সবচেয়ে বড় কথা হলো তারা কোথায় যাবে? তারা জীবনযাপনের সব উপকরণ হারিয়ে ফেলেছে। ঘর-বাড়ি, জমি ও ফসল সবই গেছে।

তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদেরকে প্রকৃত অবস্থা জানাতে হবে। এরপর তারা ফিরতে রাজি হলেই কেবল তাদেরকে সেখানে পাঠানো যেতে পারে। রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়াটা হতে হবে স্বেচ্ছায়।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মায়ানমারের প্রতিশ্রুতি ধোঁকাবাজি: আরসা
রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার বিষয়ে মায়ানমার সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তা ধোঁকাবাজি বলে মন্তব্য করেছে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)।

রবিবার এক বিবৃতিতে এই মন্তব্য করে সংগঠনটি।

আরসা বলেছে, বাংলাদেশ থেকে ফিরে যাওয়ার পর রোহিঙ্গা শরণার্থীরা আরো বেশি বিপদে পড়বে। তাদেরকে নিরাপত্তা দেবে না মায়ানমার সরকার। এর মাধ্যমে মায়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদেরকে দেশে নিয়ে নিজেদের শরণার্থী শিবিরগুলোতে বন্দী করে ফেলতে চাচ্ছে বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে।

আরসা আরো বলেছে, রাখাইনের কেন্দ্রীয় শহর সিত্তে’র শরণার্থী শিবিরগুলোতে হাজার হাজার মুসলমানকে রাখা হয়েছে। ২০১২ সাল থেকে রোহিঙ্গারা সেখানে মানবেতর জীবনযাপন করছে। সরকার সমস্যার সমাধান করে নি।

সম্প্রতি বাংলাদেশের সঙ্গে মায়ানমারের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তি চূড়ান্ত হলেও রোহিঙ্গা শরণার্থীরা দেশে ফেরার পর আরো বিপদে পড়ার আশঙ্কা করছেন। তারা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।

মায়ানমারের রাখাইনে গত আগস্ট থেকে শুরু হওয়া হত্যা-নির্যাতনে ছয় হাজারের বেশি রোহিঙ্গা মুসলমান নিহত ও আরও হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছে। এছাড়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ সংবাদ