বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
শেখ হাসিনার ‘ফটোজেনিক মেধাবী’ জিনিসটি আসলে কী?  » «   সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করতে হবে : শিবির সভাপতি  » «   খালেদার বক্তব্য বিকৃত করে রায় দিয়েছেন আখতারুজ্জামান!  » «   একজন ভাষাসৈনিক গোলাম আজম এবং আমার ভাবনা  » «   আগামী বছর নতুন পদ্ধতিতে এসএসসি  » «   ধনীদের আরো বেশি কর দেয়া উচিত: বিল গেটস  » «   খালেদা ভোটের যোগ্যতা হারালে কিছু করার নেই: কাদের  » «   তারেকের স্ত্রী, কন্যার ব্রিটিশ নাগরিকত্বের আবেদনের খবর  » «   খালেদার জামিন আবেদনের আগেই কপি চান অ্যাটর্নি জেনারেল  » «   ব্যাংকে জালিয়াতির কোনো ঘটনায় ছাড় দেয়া হয়নি: তোফায়েল  » «   বাংলাদেশকে কেউ আর অবহেলার সাহস পায় না: প্রধানমন্ত্রী  » «   বাসের ধাক্কায় ৪ অটোযাত্রী নিহত  » «   ২১ গুণীজনকে একুশে পদক দিলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   ভারতের দুর্ভাগ্য যে বিজেপি কেন্দ্রীয় সরকারে ক্ষমতায় আছে: মমতা  » «   খালেদা জিয়ার আপিল গ্রহণের শুনানি বৃহস্পতিবার  » «  

আবার ধেয়ে আসছে ‘ভয়াবহ’ শৈত্যপ্রবাহ!

t8শীত বাংলাদেশে একটি স্বল্পস্থায়ী ঋতু। কোনো বছর আগে এলে কিংবা দেরিতে এলেও প্রতিবারই দিন কয়েক তার তীব্রতা মানুষকে বেশ ভোগায়। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। এরই মধ্যে পুরো দেশকে একবার কাঁপিয়ে দিয়ে গেছে শৈত্যপ্রবাহ। সে সময় উত্তরবঙ্গে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গত ৫০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

দিন কয়েকের মধ্যে এমনই আর একটি শৈত্যপ্রবাহ ধেয়ে আসছে বাংলাদেশের দিকে। সেটির তীব্রতা গত শৈত্যপ্রবাহটির মতোই ‘ভয়াবহ’ হবে বলে জানান আবহাওয়াবিদরা।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, দেশে শীতের তীব্রতা এই মুহূর্তে কিছুটা কম। তবে শীত চলে গেছে ভাবলে ভুল হবে। বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে কনকনে ঠান্ডার আরও একটি শৈত্যপ্রবাহ। ২৫ থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বয়ে যেতে পারে শৈত্যপ্রবাহটি, যেটির তীব্রতা কাঁপিয়ে দিতে দেশের অনেক স্থানের মানুষের জীবনযাত্রা।

আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ ঢাকাটাইমসকে বলেন, আগামী ২৫ তারিখ থেকে দেশে ওপর দিয়ে একটা শৈতপ্রবাহ বয়ে যাবে। দেশের কোনো জায়গায় মাঝারি ধরনের, আবার কোনো কোনো জায়গার ওপর দিয়ে তীব্র শৈতপ্রবাহ বয়ে যাবে।

উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয় বাংলাদেশের ওপর এখনো সেভাবে সক্রিয় হয়নি উল্লেখ করে বজলুর রশিদ বলেন, এটি আগামী ২৫ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) নাগাদ বাংলাদেশের ওপর প্রভাব বিস্তার করবে। এরপর শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে। পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের জেলাগুলোতে (বিশেষ করে কক্সবাজার, বান্দরবান) ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি রাতের তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে।

আবহাওয়া পূর্বাভাষ চিত্র পর‌্যালোচনা করে আবহাওয়াবিদরা বলেন, এই শৈত্যপ্রবাহ গত শৈত্যপ্রবাহের চেয়েও ভয়াবহ রকমের ঠাণ্ডা হবে। বিশেষ করে পঞ্চগড়-দিনাজপুর-নীলফামারী জেলায় তীব্র ঠাণ্ডা পড়বে। রাত ও সকালের তাপমাত্রা গত ৩০ বছরের (১৯৮১ থেকে ২০১০ সাল) এই সময়ের গড় তাপমাত্রার চেয়ে ৫ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম থাকবে।

আমেরিকার আবহাওয়া পূর্বাভাষ মডেল Global Forecast System (GFS) পূর্বাভাস মতে, আগামী ২৫ তারিখের পর থেকে একটি শৈত্যপ্রবাহ পঞ্চগড়-দিনাজপুর জেলার ওপর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করা শুরু করবে। ২৭ থেকে ২৯ জানুয়ারি তারিখ পর্যন্ত পুরো দেশে তীব্র ঠাণ্ডা আবহাওয়া বিরাজ করবে।

এদিকে আগামী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর‌্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর‌্যন্ত রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘণ কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

রাজশাহী, পাবনা, পঞ্চগড়, দিনাজপুর, সাতক্ষীরা, যশোর, কুষ্টিয়া এবং বরিশাল জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈতপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু এলাকা থেকে প্রশমিত হতে পারে। সারা দেশের রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং তা দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

সর্বশেষ সংবাদ